দুর্গাপূজা শারদীয় দূর্গা উৎসব ২০২৫/durga puja 2025

0 minutes, 6 seconds Read

দুর্গাপূজা শারদীয় দূর্গা উৎসব ২০২৫

দুর্গাপূজা

দুর্গাপূজা বাঙালির প্রাণের উৎসব। হিন্দু ধর্মের মধ্যে সবচেয়ে প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো দুর্গাপূজা দুর্গাপূজা ভারতের অন্যান্য প্রদেশের বাঙ্গালীরা ভিন্ন ভিন্ন নামে পালন করে থাকে। যেমন কাশ্মীরও দাক্ষিণাত্যে অম্বা ও অম্বিকা,মিথিলায় উমা এবং কান্না কুঞ্জে কল্যাণী রুদ্রানী ও গুজরাটে হিংগুলা। এছাড়াও কুমারিকা প্রদেশের কন্যাকুমারী নামে দেবীর পূজা ও উৎসব পালিত হয়।

দৈনন্দিন কাজের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী সুলভ মূল্য পেতে ভিজিট করুন online সব নগর বাজার বিডি এছাড়া আমাদেরকে সরাসরি কল করুন( ০১৮১১১৫৬৫০৭ )নাম্বারে ।

 

দেবী দুর্গা

দুর্গা পৌরাণিক দেবতা। যিনি আত্মশক্তি,শিবানী ,মহামায়া ,ভবানী ,সিং হ বহনা ও দশভূজা ইত্যাদি নামে অভিহিত হন। দুর্গ ও দুর্গম নামক দৈত্যকে বদ করেন বলে তার নামকরণ করা হয় দুর্গা। জীবের জীবনের সকল দুর্গতিনাশ করেন বলে তাকে দুর্গা বলা হয়। ব্রক্ষ্মার বর এ পুরুষের অবাধ্য মহিষাসুর নামক এক দানও স্বর্ণ রাজ্য দখল করতে রাজ্যহারা দেবতারা, বিষ্ণুর শরণাপন্ন হন।এবং বিষ্ণুর নির্দেশে সকল দেবতারা দেশপুঞ্জ থেকে যেই দেবীর জন্ম হয় তিনিই দুর্গা। দেবতাদের শক্তিতে শক্তি ময়ূর ও বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দেবী যুদ্ধে মহিষাসুরকে বধ করেন। তাই দেবীর আর এক নাম হল মহিষ মর্দিনী। কালি বিলাসতন্ত্র দেবী ভাগবত,দেবী ভাগবত,মহাভাবগত ,দুর্গা ভক্তি তরঙ্গিনী,বৃহন নন্দিকেশ্বর পুরাণ,দুর্গ সত্য। ইত্যাদি প্রভৃত গ্রন্থে দেবী দুর্গা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

1.লিঙ্গ মোটা ও বড় করার মাক্সমান ক্যাপসুল কিনতে- ক্লিক করুন

2.লিঙ্গ মোটা ও বড় করার আমেরিকান ক্যাপসুল মেইল এক্সটা – ক্লিক করুন

3.লিঙ্গ লোহার মতো শক্ত করার মাড়াল জেল

দুর্গাপূজা 2025

দুর্গাপূজার প্রচলন সম্পর্কে পুরাণে লিখিত হয়েছে যে,পুরা কালে রাজ্যহরা রাত সুরত ও স্বজন প্রচারিত সমাধি বৈষম্য একদিন মেধস মুনির আশ্রমে যান। সেখানে তিনি মুনির পরামর্শে দুর্গাপূজা করেন। সেখানে দেবী তার পূজায় তুষ্ট হলে দেবীর বড়ে সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ হয়। এ পূজা ও বসন্তকালে হয়েছিল বলে এর নাম বাসন্তী পূজা।

 

শারদীয় দুর্গাপূজা

কৃত্তিবাসী রামায়ণ থেকে জানা যায় যে রামচন্দ্র রাবণ বধ এর জন্য অকালে শরৎকালে দেবীর পূজা করেছিলেন। তখন থেকে এর নাম অকালবোধন মা শারদীয় দুর্গাপূজা। বাসন্তী পূজা হয় চৈত্রের শুক্লপক্ষে আর শারদীয় দুর্গাপূজা হয় সাধারণত আশ্বিনে কখনো বা কার্তিকের শুক্লপক্ষে। শারদীয় দুর্গাপূজা বর্তমানে পূজার সমাধিক প্রচারিত। এক সময় শুক্লা জ্যৈষ্ঠ তিথিতে দেবীর বোধন হয় ও সপ্তম অষ্টমী এবং নবমী তিথিতে পূজা দিয়ে দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এবং সেদিন দশহরা মেলা হয়। হিন্দু সম্প্রদায়েরছোট বড় সকলে নতুন পোশাক পড়ে দশহরা মেলায় যান। মেলার দিন নৌকা বাইচ আকর্ষণের প্রধান বিষয়বস্তু। সকলে একে অপরের সাথে কোলাকুলি প্রণাম আশীর্বাদ। আদান প্রদান করেন।

পুরুষাঙ্গ মোটা ও বড় করার জোকের তেল

অনলাইনে সবচেয়ে সুলভ মূল্যের কেনাকাটায় ভিজিট করুন নগর বাজারে বিডি ওয়েবসাইট।ফোন✆ 01811156507

 

দুর্গাপূজা ৩ প্রকার সাত্ত্বিক মানে জব যোগ যোগ্য ও নিরামিষ ভোগ দ্বারা পূজা। রাজসিক মানে পশু বলিবা আমিষ ভোগধারা পূজা করা। তামু শেখ মানে কি রাতদের জন্য বিহিত এতে জব যোগ্য মন্ত্র নিয়ে মধ্যমাংস প্রভৃতি দ্বারা পূজা করা হয়। অতীতে দুর্গাপূজার সময় ছাক-মেশ মহিষ হরিণ শূকর গন্ডার,গোসাপ ও পাখি বলিদান দেওয়া হতো। কোন কোন গ্রন্থে নরবলির বিধান ও প্রচলিত ছিল তবে বর্তমানে অবশ্য বলির প্রচারণ নেই বললেই চলে।দেবী দুর্গা সাধারণত দশমহজা তবে স্বাস্থ্য অনুসারে তার বহু সংখ্যা হতে পারে চার, আট, দশ ষোলো আাঠারো বা বিশ। প্রতিমার রং হতে পারে অত সেই পুষ্পবর্ণ অথবা তত্ত্ব কাঞ্চন বর্ণ কখনো কখনো রক্তবর্ণ হয়ে থাকে। প্রতিমাকে ছাড়াও পূজা হতে পারে দর্পণে অনাবৃত ভুমিতে বা পুস্তকে অথবা চিত্রে ত্রিশূলে,স্বরে বা জলে। দুর্গাপূজায় হিন্দু ধর্মের সকল লোকজনই অংশগ্রহণ করে থাকেন। হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব বলে কথা।

 

বঙ্গদেশে প্রথম দুর্গাপূজার প্রচলন করেন সম্রাট আকবর। ১৫৫৬ থেকে ১৬০৫ সাল পর্যন্ত রাজত্বকালে রাজশাহী জেলার তাহিরপুরের রাজা,কমসা নারায়ন মতান্তরে নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়,১৭১০ থেকে ১৭৮৩ পর্যন্ত রাজত্বকালে। কিন্তু জি মন তাহার আনু হাজার৫০ থেকে ১১৫০ এর রাজত্বকালে দুর্গ ও সর্বনিম্ন ও বিদ্যাপতির ১৩৩৪ থেকে ১৪৬ দুর্গা ভক্তি তরঙ্গিনী ফুল পানির ১৩৭৫ থেকে ১৪৬ গ্রন্থে দুর্গাপূজার বিস্তৃত বর্ণনা থাকায় অনুমান করা হয় যে বাংলায় দুর্গাপূজা দশম ও একাদশ শতকেই প্রচলিত ছিল হয়তো কংশা নারায়ণ কিংবা কৃষ্ণচন্দ্রের সময় থেকে তা বিশেষ জাঁকজমকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে থাকে। উনিশ শতকের দিকে কলকাতায় মহাসমারোহে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হতো। এবং অষ্টাদশ শতকের শেষ অব্দি ইউরোপিয়ানরা ও দূর্গা উৎসবের অংশগ্রহণ করতো। এছাড়াও ধনীদের গৃহে বাইজি নর্তকী এবং গায়িকার অংশগ্রহণ করতো। কোথাও কোথাও আবার যাত্রা গান পাঁচালী ও কবিগণের আসরও বসতো ।

মারাল-জেল-২০২৫

পূজার আগে ঘর মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরি করে তাতে কাঞ্চন বর্ণের রং লাগানো হতো এবং অতীতে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িসহ আরো কয়েকটি সম্ভ্রান্ত পরিবার প্রতিমাকে দামী শাড়ি ও সোনার গয়না পড়া তো এবং তার সাথেই প্রতিমা বিসর্জন দিত। বাংলাদেশে ও সর্বত্রই দুর্গা পূজার সময় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয় কেউ ব্যক্তিগতভাবে করে কেউবা সমষ্টিগতভাবে করে। সমষ্টিগত পূজাকে বলা হয় বারোয়ারি অথবা সর্বজনীন দুর্গোৎসব।

 

বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গোৎসব

বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গা উৎসব উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজন সকলে একত্রে মিলিত হয়। ঢাকা বাংলাদেশের সর্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার সবচেয়ে বড় মন্দির ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এছাড়াও শতাধিক মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পূজা উপলক্ষে গরিব-দুঃখীদের মধ্যে খাবার বস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ঢাকাস্থ্য রামকৃষ্ণ মিশন মন্দিরে অষ্টমীর দিন ৮-৯ বছরের একটি বালিকাকে দুর্গা সাজিয়ে কুমারী পূজা করা হয়। দশমীর দিন সকল জায়গায় সরকারি ছুটি থাকে। অফিস আদালত গুলি ৫/৬ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এদিন সংবাদপত্র সমূহ বিশেষ কোরপত্র প্রকাশ করে। সংঘাত ও বেতার টেলিভিশন মাধ্যমগুলোতে পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা হয়। দশমীর দিন সরকারি ছুটি থাকে চলে বিসর্জনের আয়োজন মিছিল সহকারে প্রতিমা নিয়ে বিকেল থেকে শুরু আর নিকটস্থ নদীর পুকুর,পুকুরে বিসর্জনের আয়োজন। থাকার অধিকাংশ প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয় ঢাকার অন্যতম বড় নদী বুড়িগঙ্গা নদীর জলে। এসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে যায় পাঁচ দিনব্যাপী চলা দুর্গা উৎসব।

 

দুর্গাপূজা

 

 

♣সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01811156507

♣সব চেয়ে কম দামে-nogorbazarbd.com থেকে কিনুন।

♣ঢাকার বাহিরে থেকে অর্ডার করতে  ১৫০ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করুন ।

♣অর্ডার কনফার্ম করতে ঢাকার ভিতরে 50 টাকা ঢাকার বাইরে 100 টাকা এডভান্স করতে হবে।

♣অর্ডার করতে কল করুন:- 01758983508

♣বিকাশ অথবা নগদ করুন:-01811156507বিকাশ/নগদ পার্সোনাল।

 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

X